January 22, 2018 11:46 pm

চমৎকার একটি ভালোবাসার প্রাকৃতিক গল্প

আমাদের গল্পটি একটি কল্পনার কাহিনী। কাওকে আঘাত করার জন্য নয়.. ! এই গল্পটি সাজানো হয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নিয়ে একটি প্রকৃত ভালোবাসা নিয়ে। গল্পটি হাঁসি, কান্না নিয়ে সাজানো হয়েছে। গল্পটি পড়লে আপনি একটি কল্পনার জগতে চলে যাবে। তবে দেরি কেনো।. ! শুরু করা যাক. …………….

ভালোবাসার গল্প

ভালোবাসার গল্প

ভাই ৫০ টা ঘুমের ওষুধ দেন তো …
দোকানদার এমন ভাবে তাকালো যেন মরা মানুষ ওষুধ কিনতে চলে এসেছে
কিছুখন তাকিয়ে থেকে বলল নাই …
যেখানে যাই সেখানেই এক ই অবস্থা ,
নাহ ওষুধের অভাবে লোকজন মারা যাবে নাকি?
এদের বিরুদ্ধে সরকারের ব্যাবস্থা নেওয়া উচিৎ ।
দেশের যা অবস্থা তাতে এদের ঠিক করার কেও নাই ।।
নিজের ব্যাবস্থা নিজেই করতে হবে ।।।

ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালুকনা বিন্দু বিন্দু জল গড়ে তুলে মহাকাশ সাগর অতল …
তাই ২-৩ টা করে অনেক দোকান থেকে অনেক গুলা ওষুধ কিনলাম …
এত দিনে বইতে শেখা কোন কিছু বাস্তবিক জীবনে কাজে লাগলো ভাবতেই নিজের গর্ব হয় ।।
আগে ভাবতাম পরাশুনা জীবনের কোন কাজেই লাগে না ।

পকেটে এখন অনেক টাকা , যদিও কিছুখন আগে এই টাকার জন্য ই কেও জীবন থেকে আলাদা হয়ে গেল ।। আমার সাথে থাকলে নাকি তার না খেয়ে মরতে হত ।। যদিও মরে গেলে ২জন একসাথে মরতাম এমন ই কথা ছিল ।
শেষ কথা গুলো বার বার মনে পরছে ……

ঃ-আমি তোমাকে অন্যদের মত ভাবি নাই ।
: না ভাবাটা স্বাভাবিক ।
ঃ- আমার সাথে এমন করলা ?
: আমি এরকমই ।
ঃ- আমি তোমাকে পছন্দ করতাম । কারণ আমি ভেবেছিলাম তুমি ভালো ।
: তো এখন কি ভাবছো ? দেখো প্রেম ট্রেম কিছু না ।
ঃ- এত সস্তা ? ঈশ আমিও গাধার মত সব সত্যি ভেবেছিলাম !
: দেখো আমি প্রথমেই না করেছিলাম।
ঃ- ছিঃ
– সিগারেট টা ধরায় দাও ।
ঃ- রিকশা থেকে নামো ।
– ক্যান ?
ঃ- আমি বলছি তাই।
– ওয়েট। সামনেই তো !
ঃ- কি !
– কিছু না ।
রিকশা থেকে নেমে রাজকন্যা চলে যাচ্ছে।
তার খারাপ লাগছে মেয়েটার জন্য।তবু
প্রতিটা কথা বলে ঠোঁটের কোনে হাসি ঝুলিয়ে রেখেছে।
জানে না কতটা সফল হয়েছে।
তবু্‌ও……………

কিন্তু,
সাধ্যের বাইরে দেখা স্বপ্ন যে কোনদিনই পুরণ হয় না ।
পেছন থেকে রাজকন্যার মামা আর মা আসে গাড়ি নিয়ে।মামা কোন সম্বোধন ছাড়া বলেঃ
– ভালো করেছো । মায়ের চিকিত্‍সার টাকাটাও পাবে । তবে রিকশায় না উঠলেও চলতো
: জী ।
– এই নাও চেক । সাইন করা আছে । ওর বিয়ে হচ্ছে ডাক্তারের সাথে । তোমাকে ডাকতাম কিন্তু বিয়ে বাইরে হবে । তাই আর কি
: আপনার কাছে বিশ টাকা হবে ।
– হ্যা হবে ।
: দিন তো !
টাকা দিয়ে রাজকন্যার পরিবারের লোকজন চলে যায় । তাদের আপদ দুর হয়েছে । ছেলেটাকে রাজকন্যা পছন্দ করতো এজন্য ডাক্তারকে রিজেক্ট করেছিলো ।
এখন টাকা কি করব, মা একা করে দিয়ে গেছে
খুধা লেগে গেছে ।। কিছু খাওয়া উচিৎ
জীবনের শেষ খাওয়া একটু ভাল কিছু খাওয়া দরকার …
খাবার আসতে সময় লাগবে , অপেক্ষা করতে হবে .
অপেক্ষার সাথে আমার ভালই বন্ধুত্ব আছে
কত ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করলাম .
পাশের মানুষগুলো সবাই খুব ধীরে ধীরে খাচ্ছে ।।
যেন এক চামচ হজম হবার পর আরেক চামচ খাবার নিয়ম ।।
এখনও অনেক টাকা
যদিও এখন আমার কাছে এই টাকার কোন মূল্য নাই ।
মূল্যহীন জিনিস সাথে নিয়ে বয়ে বেড়ানোর কোন মানেই হয় না………
বাসায় কেও নেই ,ঈদ এর ছুটি তে বাসায় গেছে
আমিও যেতাম কিন্তু …………

এখন এসব ভেবে লাভ নেই ।
অনেক গুলো ওষুধ, এতগুলা সব মুখে পুরে দিলে গলায় আটকে মারা যাব ।।
যদিও মরার জন্য এ খাওয়া
কষ্ট খুব ভয় পাই … তাকেও ভয় পেতাম ।
আমি মরার পর সে কি আমার কথা মনে করবে ?
মনে করলে ও কি কষ্ট পাবে? কান্না করবে ?
নাকি মনে মনে বলবে ভালই হইছে
এসব ভাবতে ভাবতে অনেক সময় পার হয়ে গেল ।।জানালা দিয়ে আলো আসলো ভোরের আলো…
বাইরে সবুজ ঘাস ,ঘাসের উপর শিশির জমে আছে …
মনের অজান্তেই বের হলাম, হাঁটলাম………
মৃদু বাতাস, মিষ্টি রোদ , রোদে ঘাসের শিশির হিরার টুকরার মত লাগে
কোনদিনও এভাবে দেখা হয় নাই
দেখি আর বিমোহিত হই ।।
তাকে দেখেও বিমোহিত হতাম ………..

বি: দৃষ্টব: গল্পটি ভালো লাগলে সকলের সঙ্গে শেয়ার করবেন। কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন।

Comments