January 23, 2018 11:27 pm
ফোনালাপের কথা স্বীকার করলেন শামীম ওসমান

ফোনালাপের কথা স্বীকার করলেন শামীম ওসমান

নারায়ণগঞ্জের সাতজনকে খুনের মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের সঙ্গে ফোনে কথা বলার কথা স্বীকার করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সরকারি দলের সাংসদ শামীম ওসমান। তবে ওই ফোনে নূর হোসেনকে আত্মসমর্পণ করতে বলেছেন, পালিয়ে যেতে বলেননি বলে দাবি করেছেন তিনি।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে শামীম ওসমান এ দাবি করেন।

এ সংবাদ সম্মেলনে প্রথম আলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বিভিন্ন টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত সংবাদ সম্মেলনের অংশবিশেষ থেকে পাঠকের জন্য খবরটি প্রচার করা হলো।

উল্লেখ্য, ‘শামীমের সহায়তায় পালান নূর হোসেন?’ শিরোনামে আজ প্রথম আলোয় একটি খবর প্রকাশের পর এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

নূর হোসেন ও তাঁর যে ফোনালাপ পত্রিকায় প্রচার হয়েছে সে সম্পর্কে নারায়ণগঞ্জের এই সাংসদ বলেন, ‘এটা একটি গোয়েন্দা সংস্থার রেকর্ড করা ফোনালাপ। কারণ, টেলিফোন ট্র্যাকিং সাংবাদিকেরা করেন না, এটা করেন গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা। আমার ফোনও সব সময় ট্র্যাকিং করা হয়। এটা জেনেও আমি ফোনে কথা বলি।’ তিনি বলেন, প্রকাশিত ফোনালাপের পুরো কথা এখানে নেই। আংশিক আছে, আংশিক নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের এই সাংসদ বলেন, ‘আমার সঙ্গে ফোনে নূর হোসেন কথা বলছেন, গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা জানতেন ওই সময় নূর হোসেন ধানমন্ডি-৪ নম্বর রোডে আছেন।’ এ সময় শামীম ওসমান পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, ‘তাঁরা (গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা) যদি জানতেন নূর হোসেন ধানমন্ডিতে আছেন, তা হলে তাঁরা নূর হোসেনকে ধরলেন না কেন?’

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ সাতজনকে অপহরণের পর র্যাবের এক কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে হওয়া কথার প্রসঙ্গ টেনে শামীম ওসমান বলেন, ‘তিনি (র্যাব কর্মকর্তা) আমাকে বলেন, “আমরা না বাঁচলে আপনিও বাঁচবেন না।’”

প্রথম আলোতে ফোনা

ফোনালাপের কথা স্বীকার করলেন শামীম ওসমান
নারায়ণগঞ্জের সাতজনকে খুনের মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের সঙ্গে ফোনে কথা বলার কথা স্বীকার করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সরকারি দলের সাংসদ শামীম ওসমান। তবে ওই ফোনে নূর হোসেনকে আত্মসমর্পণ করতে বলেছেন, পালিয়ে যেতে বলেননি বলে দাবি করেছেন তিনি।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে শামীম ওসমান এ দাবি করেন।

এ সংবাদ সম্মেলনে প্রথম আলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বিভিন্ন টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত সংবাদ সম্মেলনের অংশবিশেষ থেকে পাঠকের জন্য খবরটি প্রচার করা হলো।

উল্লেখ্য, ‘শামীমের সহায়তায় পালান নূর হোসেন?’ শিরোনামে আজ প্রথম আলোয় একটি খবর প্রকাশের পর এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

নূর হোসেন ও তাঁর যে ফোনালাপ পত্রিকায় প্রচার হয়েছে সে সম্পর্কে নারায়ণগঞ্জের এই সাংসদ বলেন, ‘এটা একটি গোয়েন্দা সংস্থার রেকর্ড করা ফোনালাপ। কারণ, টেলিফোন ট্র্যাকিং সাংবাদিকেরা করেন না, এটা করেন গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা। আমার ফোনও সব সময় ট্র্যাকিং করা হয়। এটা জেনেও আমি ফোনে কথা বলি।’ তিনি বলেন, প্রকাশিত ফোনালাপের পুরো কথা এখানে নেই। আংশিক আছে, আংশিক নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের এই সাংসদ বলেন, ‘আমার সঙ্গে ফোনে নূর হোসেন কথা বলছেন, গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা জানতেন ওই সময় নূর হোসেন ধানমন্ডি-৪ নম্বর রোডে আছেন।’ এ সময় শামীম ওসমান পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, ‘তাঁরা (গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা) যদি জানতেন নূর হোসেন ধানমন্ডিতে আছেন, তা হলে তাঁরা নূর হোসেনকে ধরলেন না কেন?’

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ সাতজনকে অপহরণের পর র্যাবের এক কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে হওয়া কথার প্রসঙ্গ টেনে শামীম ওসমান বলেন, ‘তিনি (র্যাব কর্মকর্তা) আমাকে বলেন, “আমরা না বাঁচলে আপনিও বাঁচবেন না।’”

প্রথম আলোতে ফোনালাপ প্রকাশ হওয়ায় ক্ষোভ

নূর হোসেনের সঙ্গে ফোনালাপ প্রথম আলোতে প্রকাশ হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শামীম ওসমান। তিনি বলেন, ‘এই রেকর্ড একটি গোয়েন্দা সংস্থার। এটি দেওয়া হয়েছে প্রথম আলোকে—যে পত্রিকা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। জনকণ্ঠ, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ বা অন্য যেকোনো পত্রিকায় দিলে আমার কোনো আপত্তি ছিল না।’
এ সময় শামীম ওসমান বলেন, ‘প্রথম আলো আমি কিনিও না, পড়িও না।’

ত্বকী হত্যাকাণ্ডের বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি

নারায়ণগঞ্জের ছাত্র ত্বকী হত্যাকাণ্ডের বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছেন শামীম ওসমান। এর সঙ্গে জড়িতে থাকলে তাঁকেও গ্রেপ্তার করা হোক বলেও জানান তিনি।

লাপ প্রকাশ হওয়ায় ক্ষোভ

নূর হোসেনের সঙ্গে ফোনালাপ প্রথম আলোতে প্রকাশ হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শামীম ওসমান। তিনি বলেন, ‘এই রেকর্ড একটি গোয়েন্দা সংস্থার। এটি দেওয়া হয়েছে প্রথম আলোকে—যে পত্রিকা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। জনকণ্ঠ, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ বা অন্য যেকোনো পত্রিকায় দিলে আমার কোনো আপত্তি ছিল না।’
এ সময় শামীম ওসমান বলেন, ‘প্রথম আলো আমি কিনিও না, পড়িও না।’

ত্বকী হত্যাকাণ্ডের বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি

নারায়ণগঞ্জের ছাত্র ত্বকী হত্যাকাণ্ডের বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছেন শামীম ওসমান। এর সঙ্গে জড়িতে থাকলে তাঁকেও গ্রেপ্তার করা হোক বলেও জানান তিনি।

Comments

Leave a Reply