January 23, 2018 11:41 pm

বেনজেমার গোলে ফ্রান্সের দুরন্ত সূচনা

স্ট্রাইকার করিম বেনজেমার জোড়া গোলে ফ্রান্স  এবারের বিশ্বকাপে দুরন্ত সূচনা করেছে। ব্রাজিলের পোর্তো অ্যালেগ্রেতে অনুষ্ঠিত ‘ই’ গ্রুপের এ খেলায় ফ্রান্স ৩-০ গোলে হন্ডুরাসকে হারায়। ফরাসিরা ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর গ্রুপ পর্বের খেলায় এ নিয়ে কেবল দ্বিতীয়বার জয়ী হলো।
বেনজেমা গোলদুটির মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে অভিষেক নিলেন। রিয়াল মাদ্রিদের এ স্ট্রাইকার ২০১০ বিশ্বকাপের দলে থাকলেও খেলার সুযোগ পাননি।ব্রাজিল বিশ্বকাপে এবার শুরু থেকেই সব তারকারা গোলের দেখা পাচ্ছেন। বেনজেমাও এ তালিকায় নাম তুললেন।
চার বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে খেলোয়াড়দের বিদ্রোহ ও বাজে খেলা মিলিয়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল ফ্রান্সকে। তাই ব্রাজিল বিশ্বকাপে শুরু থেকেই নিজেদের প্রমাণ দেয়ার একটা ব্যাপার ছিল কোচ দিদিয়ের দেশ্যামের দলটির।
ফ্রান্সকে প্রথম গোলের জন্য বিরতির আগ পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হয়েছিল। তবে খেলার ২০ মিনিটের মধ্যেই দলটি দুবার পোস্টে বল লাগায়। এর মধ্যে হন্ডুরাস মিডফিল্ডার উইলসন প্যালাসিয়স ৪৩ মিনিটে নিজেদের বক্সে ফ্রান্সের পল পগবাকে ফাউল করে দ্বিতীয় দফায় হলুদ কার্ড পান। রেফারি তাকে মাঠ থেকে বহিষ্কার করে ফ্রান্সকে পেনাল্টি দেন। বেনজেমা জোরালো শটে গোলটি করে দলকে এগিয়ে দেন। এরপর তিনি ৭২ মিনিটে আরো এক গোল করেন। এছাড়াও অবদান রাখেন ৪৮ মিনিটে পাওয়া দলের দ্বিতীয় গোলে। যদিও এ গোলটির সিদ্ধান্ত নিতে গোললাইন প্রযুক্তির দ্বারস্থ হতে হয় রেফারিকে। তবে এটিকে হন্ডুরাস গোলরক্ষক নোয়েল ভালদারেসের আত্নঘাতী গোল হিসেবেই দেখানো হয়।
বাস্তবে বেনজেমার একটি শট দুরের পোস্টে লেগে ভালদারেসের গায়ে লেগে গোললাইন অতিক্রম করে। বেনজেমা নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন দুরহ কোন থেকেই যা তাকে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরষ্কার এনে দেয়।
গেল বিশ্বকাপে জার্মানির কাছে ইংল্যান্ডের ৪-১ গোলের হারে ফ্র্যাংক ল্যাম্পার্ডের একটি গোল বাতিল হয়ে যাওয়ার পর থেকেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গোললাইন প্রযুক্তি প্রচলনের দাবি ওঠে। এরপর জার্মান কোম্পানি গোলকন্ট্রোল সিস্টেম ব্রাজিলে রেফারিদের এ প্রযুক্তির সহায়তা দিচ্ছে। ২০১২ সালে এ প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়টি অনুমোদিত হয়।
হন্ডুরাস উইলসনের লাল কার্ড পাওয়ার পর দশজনের দলে পরিণত হলে ফরাসিদের রোখা আর সম্ভব হয়নি হন্ডুরাসের পক্ষে।

Comments

Leave a Reply