January 22, 2018 12:21 pm

১৮ +++ Top 10 বড়দের জোকস (Part – 3)

১৮ +++ Top 10 বড়দের জোকস (Part – 2)

01. ভালোবাসি….
১ম বন্ধু : শুনলাম তুই নাই ওকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে যাচ্ছিস?
২য় বন্ধু : হ্যাঁ।
১ম বন্ধু : কেন?
২য় বন্ধু : আমি তাকে ভালোবাসি। শি ইজ দ্যা ওয়ান!
১ম বন্ধু : আমিও আমার একমাত্র মেশিন…ইয়ে মানে…ইয়েটাকে খুব ভালোবাসি। তাই বলে সেটাকে বিয়ে করতে যাব?

02. স্ত্রীর বিনিময়….
স্বামী বাসায় ফিরল ভোরবেলা। তার সঙ্গে স্ত্রীর বিনিময় হলো নিম্নলিখিত সংলাপ—
স্ত্রী: এখন নিশ্চয়ই গল্প ঝাড়বে, বন্ধুদের সঙ্গে লাইব্রেরিতে গিয়েছিলাম…
স্বামী: তাই তো! ঠিকই তো বলেছ। বন্ধুদের সঙ্গে লাইব্রেরিতে গিয়েছিলাম…
স্ত্রী: তা তো বটেই! লাইব্রেরিতে গিয়ে একটা করে বই নিলে সকলে…
স্বামী: ঠিক বলেছ, লাইব্রেরিতে গিয়ে একটা করে বই নিয়েছি সকলে…
স্ত্রী: পরে আরও একটা করে…
স্বামী: ঠিক বলেছ। আরও একটা করে…
স্ত্রী: পরে আরও একটা…
স্বামী: ঠিক! পরে আরও একটা…
স্ত্রী: তারপর আবার একটা, আরও একটা, আরও একটা…
স্বামী: সবই তো ঠিক বলছ! আবার একটা, আরও একটা, আরও একটা…
স্ত্রী: এর পরে তোমরা ফোন করে গোটা দুই পুরোনো বন্ধুকে ডেকে এনেছ, তারপর আরও কয়েকটা বই নিয়ে রিডিং রুমে গেছ…
স্বামী: একদম ঠিক। রিডিং রুমে। তবে বন্ধুরা পুরোনো হলেও বয়স কিন্তু অত বেশি না।
স্ত্রী: হু, তারপর বন্ধুদের সঙ্গে যৌবনকালের স্মৃতিচারণা করেছ…
স্বামী: অবশ্যই। স্মৃতিচারণা করেছি একবার, দুবার, তিনবার…সাকল্যে বার দশেক।
স্ত্রী: দশবার? সত্যি বলছ?
স্বামী: অবশ্যই সত্যি বলছি। বার দশেক তো বটেই, এমনকি এগারোবারও হতে পারে…
স্ত্রী: তাহলে আমারই ভুল হয়েছে। আমি দুঃখিত, অনর্থক সন্দেহ পোষণের জন্য। আমি তো ধরেই নিয়েছিলাম, বন্ধুদের সঙ্গে ভোদকা গিলেছ, তারপর সকাল পর্যন্ত ছিলে বারবণিতাদের সঙ্গে…
স্বামী: তুমি সব সময় আমার সম্পর্কে খারাপ ধারণা করো! হয়েছে একেবারেই উল্টোটা—ভোদকা খেয়েছি বারবণিতাদের সঙ্গে, তারপর ভোর পর্যন্ত বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা…

03. রেস্টুরেন্টে একদিন…….
এক লোক একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে ঢুকে দেখলেন তিনটা দরজা। ১ম দরজায় লেখা: বাঙালি খাবার, ২য় দরজায় লেখা : ইংরেজি খাবার, ৩য় দরজায় লেখা: চায়নিজ খাবার।
লোকটি তাঁর পছন্দ অনুযায়ী চায়নিজ খাবারের দরজায় ঢুকলে সেখানে আরও ২টি দরজা দেখতে পেলেন।
১ম দরজায় লেখা: বাড়ি নিয়ে খাবেন? ২য় দরজায় লেখা: এখানেই খাবেন? লোকটি রেস্টুরেন্টেই খেতে চেয়েছিলেন তাই ‘এখানেই খাবেন?’ লেখা দরজায় ঢুকলেন। সেখানে আরও দুটি দরজা দেখতে পেলেন তিনি।
১ম দরজায় লেখা: এসি; ২য় দরজায় লেখা: নন এসি। লোকটি এসি রুমে খেতে চেয়েছিলেন তাই এসি লেখা দরজায় ঢুকলে সেখানে আরও ২টি দরজা দেখতে পেলেন।
১ম দরজায় লেখা: নগদ টাকায় খাবেন? ২য় দরজায় লেখা: বাকিতে খাবেন? লোকটি ভাবলেন বাকি খেলেই ভালো হয়, তাই তিনি ‘বাকিতে খাবেন?’ লেখা দরজাটা খুললেন। খুলতেই নিজেকে রাস্তায় আবিষ্কার করলেন!

04. উকিল সাহেব…..
সগীর: উকিল সাহেব, আমার প্রতিবেশী দস্তগীর সাহেবের কাছে আমি ৫০ হাজার টাকা পাই। কিছুদিন আগেই তিনি ধার নিয়েছিলেন। কিন্তু ফেরত দিচ্ছেন না। আমি এখন কী করতে পারি?
উকিল: আপনি যে তাঁর কাছে টাকা পান, কোনো প্রমাণ আছে?
সগীর: না তো।
উকিল: ঠিক আছে। আপনি তাঁকে একটা চিঠি পাঠান। চিঠিতে লিখুন, ‘আপনার কাছে আমি যে এক লাখ টাকা পাই, সেটা জলদি ফেরত দিন।’
সগীর: তাতে কি কোনো লাভ হবে? আমি তো এক লাখ না, ৫০ হাজার টাকা পাই। দস্তগীর চিঠির উত্তরে সেটাই লিখবে।
উকিল: ব্যস, সেটাই তো চাই। আপনার হাতে তখন একটা প্রমাণ থা

05. হরতালে নাশকতা….
হরতালে নাশকতার অভিযোগে আটক এক কয়েদি দুদিন পর পর অসুস্থ হয়ে জেলের ডাক্তারের কাছে যায়। আবার যখন গেল, তখন তার পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে ডাক্তার জানালেন, তার একটি কিডনি কেটে ফেলে দিতে হবে।
শুনে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠল কয়েদি, ‘ডাক্তার, আমি প্রথমবার যখন আপনার কাছে আসি, আপনি টনসিল কেটে নিলেন। দ্বিতীয়বার কাটলেন অ্যাপেন্ডিক্স! আমি আপনার কাছে আসি অসুস্থ দেখিয়ে আপনি আমাকে জেল থেকে বের হতে সাহায্য করবেন বলে। তা তো করলেনই না, উল্টো এখন আবার একটা কিডনিও কেটে ফেলার কথা বলছেন?’
‘আরে, এত রেগে যাচ্ছেন কেন? একবারে কী সব হয়? আমি তো একটু একটু করে আপনাকে জেল থেকে বের করে নিচ্ছি!

06. মাইক্রোসফটের চেয়ারম্যান বিল গেটস……
মাইক্রোসফটের চেয়ারম্যান বিল গেটস ; তুরস্কের নতুন অফিসের জন্য একজন দক্ষ লোক খুঁজছেন। প্রায় ২০,০০০ আবেদনপত্র জমা পড়লো!!

এই ২০,০০০ জনের মধ্যে, ‘তরফদার’ নামের এক বাংলাদেশীও আছেন। বিল গেটস, ২০,০০০ আবেদনকারীকেই একসাথে একটা বড় হল রুমে ডাকলেন।

বিল গেটস বললেন–“এখানে যারা ‘জাভা প্রোগ্রামিং’পারেন, শুধু তারা থাকবেন। বাকিরা, দয়া করে আসতে পারেন।”

২০,০০০ এর মধ্যে ১০,০০০ জন হল ত্যাগ করলেন। তরফদার সাহেবমনে মনে ভাবলেন-“আমি বরং থেকেই যাইএখানে..আর ‘জাভা প্রোগ্রামিং’ এমনকি জিনিষ!! চাকরিটা পেলে, দুই দিনে না হয় শিখে নিব। দাঁড়িয়েই থাকি বরং…

বিল গেটস এবার বললেন–“এখানে যাদের নেটওয়ার্কিং এ দক্ষতা আছে, শুধুতারা থাকবেন। বাকিরা, দয়া করে আসতে পারেন।”

১০,০০০ এর মধ্যে ৫,০০০ জন হল ত্যাগ করলেন। তরফদার সাহেব মনে মনে ভাবলেন-“‘নেটওয়ার্কিং’ আর এমন কি জিনিষ !! চাকরিটা পেলে, দুইদিনের মামলা এটা!

“বিল গেটস এবার বললেন- “এখানে যাদের‘ উইন্ডোজ ও লিনাক্সএ দক্ষতা আছে’, শুধু তারা থাকবেন। বাকিরা, দয়া করে আসতে পারেন।”

৫,০০০ এর মধ্যে ৩,০০০ জন হল ত্যাগ করলেন। তরফদার সাহেব মনে মনে ভাবলেন-“ব্যাপারনা। চাকরিটা পেলে, দুই দিনে শর্ট কোর্স করে নিব।”

বিল গেটস এবার বললেন, “যারা তুরস্কের ভাষা ভালোমতো বলতে পারেন তারা থাকবেন। আর বাকিরা, দয়া করে আসতে পারেন।”

২,০০০ এর মধ্যে ১,৯৯৮ জন হল ত্যাগ করলেন… দুইজন দাড়িয়ে রইলেন। তরফদার আর আরেক ভদ্র লোক।

বিল গেটস বললেন–“গুড, তোমরা দুইজন আমাদের সকল চাহিদা ফুলফিল করেছো। তোমাদের এখন আমি টেস্ট নিবো। তবে তার আগে তোমরা দুইজন একে অপরের সাথে তুরস্কের ভাষায় কিছু কথা বলো তো দেখি।”

তরফদার সাহেব পাশের ভদ্র লোককে আমতা আমতা করে বললেন–“ভাইজান, কেমন আছুইন?”

পাশের ভদ্রলোক দাঁত বের করে বললেন- ‘এইতো, বালা আছি… আফনে?’

07. সুন্দর প্রেমিকা…..
প্রেমিকাকে নিয়ে প্রেমিক গেছে চায়নিজ রেস্টুরেন্টে—
প্রেমিকঃ নয়না, তোমাকে না আজ খুব সুন্দর লাগছে।
প্রেমিকাঃ হটাৎ এই কথা ! আজও কি মানিব্যাগ বাসায় ফেলে এসেছ?
প্রেমিকঃ না, মানে, ইয়ে, ভুলে গেছি।

08. ফেসবুকের সর্বোত্তম ব্যবহার…..
প্রথম বন্ধু: আমি ফেসবুকের সর্বোত্তম ব্যবহার করতে চাই। কীভাবে করতে পারি?
দ্বিতীয় বন্ধু: প্রথমে অ্যাকাউন্টের সিকিউরিটি সেটিংসে যাবি; তারপর ডিঅ্যাকটিভেট ইয়োর অ্যাকাউন্ট
অপশনে গিয়ে আইডি ডিঅ্যাকটিভেট করবি। অতঃপর লাইফের আসল কাজগুলো করায় মন দিবি!

Comments